বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা দিবসে রাষ্ট্রপতির বাণী

প্রকাশিত : অক্টোবর ২৬, ২০২২ , ৫:০৩ অপরাহ্ণ

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ, সংগৃহীত চিত্র।

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ বৃহস্পতিবার ২৭ অক্টোবর ‘বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা দিবস’ উপলক্ষ্যে নিম্নোক্ত বাণী প্রদান করেছেন :
“বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক চতুর্থবারের মতো ‘বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা দিবস’ উদযাপনের উদ্যোগকে আমি স্বাগত জানাই। এ উপলক্ষ্যে আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গবেষকদের আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাচ্ছি।
বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার পাদপীঠ। বিশ্ববিদ্যালয় কেবল প্রথাগত জ্ঞান ও শিক্ষা প্রদান করে না, গবেষণার মাধ্যমে নতুন নতুন জ্ঞানের ক্ষেত্রও তৈরি করে। মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যতিক্রমধর্মী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যেখানে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি চিকিৎসকগণ গবেষণাকর্মেও নিযুক্ত থাকেন। আমি মনে করি, নিরন্তর গবেষণার মাধ্যমেই বিভিন্ন রোগের উৎপত্তি, কারণ, প্রতিকার ও প্রতিরোধ সম্পর্কে সম্যক জ্ঞান লাভ করা যায়, যা মানব কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ১৯৯৮ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা শিক্ষায় উচ্চতর গবেষণা এবং দেশের চিকিৎসাসেবায় অনন্য ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। চিকিৎসা মানুষের মৌলিক চাহিদার মধ্যে অন্যতম। দেশের চিকিৎসা বিজ্ঞানের শীর্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে জনগণের প্রত্যাশা অনেক। সেই জনপ্রত্যাশা পূরণে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় ন্যূনতম ব্যয়ে মানসম্মত চিকিৎসাসেবা পৌঁছানোর পাশাপাশি মৌলিক গবেষণা কার্যক্রমের পরিধি আরো বিস্তৃত করতে হবে, এবং গবেষণালব্ধ ফল মানব কল্যাণে কাজে লাগাতে হবে। আমি এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।
জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান একটি সুখী-সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন। আমি আশা করি, জাতির পিতার নামে প্রতিষ্ঠিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় চিকিৎসা ক্ষেত্রে একটি মডেল প্রতিষ্ঠান হিসেবে দেশে-বিদেশে সুনাম অর্জন করবে এবং বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণের পথে দেশকে আরো এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে।
আমি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা দিবস ২০২২’ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করি।
জয় বাংলা।
খোদা হাফেজ, বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।”