কবিতা মানুষকে উদ্বুদ্ধ ও উদ্দীপ্ত করার অন্যতম হাতিয়ার

প্রকাশিত : জানুয়ারি ৩, ২০২৩ , ৯:১৩ পূর্বাহ্ণ

‍‍ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ বলেছেন, কবিতা আপামর জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ ও উদ্দীপ্ত করার অন্যতম হাতিয়ার। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে কবিতা ও রণসঙ্গীত মুক্তিযোদ্ধাসহ আপামর জনসাধারণকে ভীষণভাবে অনুপ্রাণিত করেছে। অসাধারণ বক্তৃতা মানুষকে উজ্জীবিত করতে পারে কিন্তু কবিতা তার চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর। প্রতিমন্ত্রী সোমবার রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার সেমিনার কক্ষে বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব ও কবিতাবাংলার যৌথ আয়োজনে পাঁচ দিনব্যাপী (২৯ ডিসেম্বর ২০২২ থেকে ০২ জানুয়ারি ২০২৩) ‘আন্তর্জাতিক লেখক দিবস ও দরিয়ানগর আন্তর্জাতিক কবিতা উৎসব ২০২২-২৩’ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
সমাপনী আয়োজন উদ্বোধন করেন বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক জাতিসত্তার কবি মুহম্মদ নূরুল হুদা। কে এম খালিদ বলেন, গত বছর অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী আমাদের সারাদেশে সাহিত্য-মেলা ও কবিতা উৎসব আয়োজনের নির্দেশনা দিয়েছিলেন। সে মোতাবেক আমরা ইতোমধ্যে দেশের ৪০টিরও অধিক জেলায় সাহিত্য-মেলা আয়োজন সম্পন্ন করেছি। আগামী বইমেলার আগেই বাকি জেলাগুলোতে আমরা সাহিত্যমেলা আয়োজনের কাজ সম্পন্ন করতে পারবো বলে আশা রাখি। তিনি বলেন, সাহিত্যমেলা শেষে বাংলা একাডেমির উদ্যোগে চার খণ্ডের প্রকাশনা করা হবে। আর এর মাধ্যমে সাহিত্য-সংস্কৃতি অঙ্গনে জাগরণ সৃষ্টি হবে। বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি শেখ রবিউল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তৃতা করেন কবি কামাল চৌধুরী। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মালয়েশিয়া থেকে আগত লেখক রাজা রাজেশ্বরী স্নেহা রামান ও লিলি মূলত লুলিয়ানা, ভারতের থেকে আগত লেখক দোলা বাজপেয়ী ও ড. সুদীপ্ত চক্রবর্তী এবং নেপাল থেকে আগত লেখক বিধান আচার্য প্রমুখ। অনুষ্ঠানে কথাসাহিত্যে মাশরুর আরেফিন, শিশুসাহিত্যে দিলারা মেজবাহ ও আসলাম সানী, অনুবাদে রেজাউল করিম, বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে শ্যামসুন্দর শিকদার, কবিতায় সোহাগ সিদ্দিকী ও মুজিবুল হক কবির, মননশীল প্রবন্ধে ড. নাজমুল হককে বাংলাদেশ রাইটার্স ক্লাব সাহিত্য সম্মাননা ২০২১ প্রদান করা হয়। উল্লেখ্য, এ উৎসবের প্রতিপাদ্য ‘মানবিক সৌন্দর্যের জন্য কবিতা’ ও স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে ‘শান্তির পৃথিবী চাই, শুদ্ধাচারী স্বদেশ চাই’। বর্ণাঢ্য এ আয়োজনে বাংলাদেশের প্রথিতযশা কবি-সাহিত্যিকদের পাশাপাশি ভারত, নেপাল ও মালয়েশিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কবি-সাহিত্যিকগণ অংশগ্রহণ করেন।