অভিবাসীদের পুনরেকত্রীকরণে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে

প্রকাশিত : মে ২৫, ২০২২ , ৯:২২ অপরাহ্ণ

প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ, ফাইল ছবি।

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: বিদেশ ফেরত বাংলাদেশিদের পুনরেকত্রীকরণে একযোগে কাজ করার জন্য অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছে দেশের সরকারি ও বেসরকারি খাতের সংগঠনসমূহ।
বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং ইন্টারন্যাশনাল সেন্টার ফর মাইগ্রেশন পলিসি ডেভেলপমেন্ট (আইসিএমপিডি) আয়োজিত ‘পাবলিক প্রাইভেট সেক্টর পার্টনারশিপ ফর রিইন্টিগ্রেশন ইন বাংলাদেশ (পিপিপি)’ শীর্ষক প্রথম পর্বের সমাপনী অনুষ্ঠানে এ সংক্রান্ত একটি প্রতিশ্রুতিপত্র স্বাক্ষরিত হয়। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এতে ৪২ টিরও বেশি সংগঠন এই প্রতিশ্রুতিপত্রে স্বাক্ষর করে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইমরান আহমদ বলেন, ‘আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর আমার প্রথম কাজ ছিল সব অংশীজনদের একসঙ্গে নিয়ে আসা। হয়তো এই কারণেই আজকে এই আমরা এই পর্যায়ে এসেছি। আমরা যদি যারা যার ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা কাজ করি তাহলে একসঙ্গে মিলিত হওয়া সম্ভব কখনই হবে না। এজন্য এই পাবলিক প্রাইভেট অংশীদারিত্ব সিস্টেম শুরু হল এবং আমি আশা করি এটি সফল হবে। একসঙ্গে কাজ করলে আমরা অভিবাসী কর্মীদের জন্য কিছু একটা করতে পারবো।’ এ সময় তিনি বিদেশ থেকে আগত অভিবাসীদের কল্যাণে ইউরোপীয় ইউনিয়নের অর্থায়নে বাংলাদেশে এই প্রথম সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের এক যৌথ ‘প্ল্যাটফর্ম’ তৈরির উদ্যোগ নেয়ার জন্য তিনি সহযোগী সংস্থা ইউরোপিয়ান রিটার্ন অ্যান্ড রি-ইন্টিগ্রেশন নেটওয়ার্ক (ইআরআরআইএন) ও বাস্তবায়নকারী সংস্থা আইসিএমপিডি এবং দাতা সংস্থা ইউরোপীয় ইউনিয়নকে ধন্যবাদ জানান। আইসিএমপিডি’র সিল্ক রুট রিজিওনের প্রধান সেডেফ ডিয়ারিং বলেন, বাংলাদেশি অভিবাসী কর্মীরা ফেরত আসছে। করোনার কারণে এমনটি হয়েছে। এখন ফিরে আসার হার কমেছে তবে অনেক অভিবাসী কর্মী অনেক কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছেন। তাদের প্রথম প্রত্যাশাই হচ্ছে অর্থনৈতিক পুনরেকত্রীকরণ। অনুষ্ঠানে আগত বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক সহযোগী সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ বিদেশ ফেরত বাংলাদেশিদের সফল পুনরেকত্রীকরণের জন্য নিজ নিজ অবস্থান থেকে একযোগে কাজ করে যাওয়ার জন্য অভিমত ব্যক্ত করেন। অন্যান্য অতিথিদের মধ্যে জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো’র মহাপরিচালক মোঃ শহীদুল আলম (এনডিসি), ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক মোঃ হামিদুর রহমান, আইসিএমপিডি’র সিল্ক রুট রিজিওনের প্রধান সেডেফ ডিয়ারিং, ইআরআরআইএন’র প্রজেক্ট ম্যানেজার মারিয়ান উলব্রিচট এবং আইসিএমপিডি’র বাংলাদেশের কান্ট্রি কো-অর্ডিনেটর ক্যাপ্টেন (অব.) ইকরাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।