পাটকে কৃষিজাত পণ্য ঘোষণা করায় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

প্রকাশিত : জানুয়ারি ১১, ২০২৩ , ৮:২৭ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাটজাত পণ্যকে বর্ষপণ্য-২০২৩ এবং পাটকে কৃষিজাত পণ্য হিসেবে ঘোষণা করায় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়, পাটচাষি, পাট-পণ্যের উৎপাদনকারী ব্যবসায়ী, বহুমুখী পাটজাত পণ্যের উদ্যোক্তা, পাটজাত পণ্যের ব্যবহারকারীগণ, ব্যবসায়ী সংগঠনের পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী বীরপ্রতীক বুধবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এফবিসিসিআই, বাংলাদেশ জুট মিলস এসোসিয়েশনের (বিজেএমএ) নেতৃবৃন্দেরে সাথে আলোচনাকালে এ কথা বলেন। এসময় বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মো: আব্দুর রউফ, এফবিসিসিআই এর সিনিয়র সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বাবু, বিজেএমএর চেয়ারম্যান মোঃ আবুল হোসেনসহ এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী বলেন, পাট-পণ্যকে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় নানামুখী কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করবে। পাশাপাশি পাটকে কৃষিপণ্য হিসেবে ঘোষণা করায় কৃষিপণ্যের মত পাটেও সকল আর্থিক সুবিধা পাওয়া যাবে। এছাড়াও জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রমোশন সেন্টার (জেডিপিসি) এর মাধ্যমে পাট-পণ্যের ব্যবহার বৃদ্ধির পাশাপাশি সরকার বহুমুখী পাটজাত পণ্যের উদ্ভাবন ও ব্যবহার সম্প্রসারণে গুরুত্বারোপ করা হবে। বর্তমান ব্যবসা-বান্ধব সরকার দেশের রপ্তানি বাণিজ্যকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে পাটজাত দ্রব্যাদি রপ্তানি খাতে (৫-২৫ ভাগ) নগদ ভর্তুকি প্রদান করছে। তিনি বলেন, জেডিপিসির নিবন্ধিত উদ্যোক্তাগণ ২৮২ প্রকার দৃষ্টিনন্দন পাট-পণ্য উৎপাদন করছেন – যার অধিকাংশই বিদেশে রপ্তানি করা হচ্ছে। এছাড়াও বহুমুখী পাটজাত পণ্যকে আরও জনপ্রিয় করতে প্রচার প্রচারণাসহ বিদেশে বিভিন্ন মেলার আয়োজন করা হবে। এছাড়া পাট ‍ও পাটজাত পণ্যের প্রচারের জন্য বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সেমিনার, সভা ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে। মন্ত্রী আরও বলেন, সরকার ‘উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও পাট-বীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ’ প্রকল্পের আওতায় অল্প জমিতে অধিক পাট উৎপাদন, পাট-বীজের আমদানি নির্ভরতা হ্রাস করা, পাটচাষিদের প্রশিক্ষণ প্রদান, বিনামূল্যে উফশী জাতের পাট-বীজ সার (ইউরিয়া, টিএসপি ও এমপিও) এবং বালাইনাশকসহ কৃষি যন্ত্রপাতি প্রদান করছে। এছাড়াও মানসম্মত পাট-বীজ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে কৃষি মন্ত্রণালয় এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় যৌথ উদ্যোগে একটি রোডম্যাপ তৈরি করেছে। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ উন্নত পাট-বীজ উৎপাদনে স্বনির্ভর হবে ও প্রয়োজনীয় পাট-বীজ সংগ্রহে আমদানি নির্ভরতা আর থাকবে না।