প্রধানমন্ত্রী জনগণের পাশে থেকে প্রতিটি দুর্যোগময় পরিস্থিতি মোকাবিলা করেন

প্রকাশিত : মে ২২, ২০২৩ , ৯:২৫ অপরাহ্ণ

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, সংগৃহীত চিত্র।

বান্দরবান, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের প্রতিটি দুর্যোগময় পরিস্থিতি জনগণের পাশে থেকে ঠাণ্ডা মাথায় মোকাবিলা করেছেন। দুর্যোগময় মুহূর্তে তিনি দেশের সর্বত্র খোঁজখবর রেখেছেন, ক্ষতিগ্রস্ত জনগণকে দ্রুত সহায়তা প্রদানের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন। সোমবার বান্দরবান সদরে অরুণ সারকী টাউন হলে বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ ও জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত গরিব- মেধাবী শিক্ষার্থী, অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ও গরিব অসহায় রোগীদের এককালীন অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, বিদেশিরা বলেছিল করোনার কারণে পৃথিবীতে লাখ লাখ মানুষ মারা যাবে। কিন্তু বৈশ্বিক মহামারিতে প্রধানমন্ত্রীর যুগোপযোগী সঠিক সিদ্ধান্তে সঠিক সময়ে ভ্যাকসিন আনা এবং সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করার কারণেই দেশের মানুষের প্রাণহানির ব্যাপক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেয়েছে। মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী অসহায় মানুষের সহায়তা করেছেন। অতীতে তার মতো কেউ পাশে দাঁড়ায়নি। সোনার বাংলা গড়তে গেলে সোনার ছেলে প্রয়োজন। তাদের গড়তে সরকার বিনামূল্যে বই দিচ্ছেন, দিচ্ছেন শিক্ষা বৃত্তি। তিনি বলেন, ভূমিহীনদের মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিয়েছেন। গরিব অসহায়দের দিচ্ছেন বিভিন্ন ভাতা। সরকার যে সহায়তা দিচ্ছে সেই টাকাগুলোর সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ক্য শৈ হ্লা। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মো. তারিকুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সুরাইয়া আক্তার সুইটি এবং বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মোজাম্মেল হক বাহাদুর। পরে মন্ত্রী ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত ৪০ জন রোগীর প্রতিজনকে ৫০ হাজার টাকা করে ২০ লাখ টাকার অনুদানের চেক দেন। এ ছাড়াও জেলার আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত ১৪৭টি পরিবারের প্রত্যেককে ৭ হাজার টাকা করে মোট ১০ লাখ ২৯ হাজার টাকা দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে ২৮৪ জন শিক্ষার্থীর প্রত্যেককে ৩ হাজার ৫০০ টাকা করে মোট ৯ লাখ ৯৪ হাজার টাকার অনুদান দেওয়া হয় এবং এককালীন চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে ১৭২ জনকে ১২ লাখ ৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়।