ভার্চুয়াল বিজনেস প্রেজেন্স প্লাটফর্ম প্রবর্তন করছে বাংলাদেশ

প্রকাশিত : মে ১০, ২০২২ , ৫:০৭ অপরাহ্ণ

নিউইয়র্ক, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন:তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, বাংলাদেশে ব্যবসা করার সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে মেটা ভার্সন কিংবা ভার্চুয়াল বিজনেস প্রেজেন্স প্লাটফর্ম প্রবর্তন করা হচ্ছে। প্লাটফর্মের মাধ্যমে ব্যবসায়ীরা বাংলাদেশে না গিয়ে বিদেশ থেকেই বাংলাদেশের মাটিতে ব্যবসা বা বিনিয়োগ করতে পারবেন। প্রতিমন্ত্রী গতকাল নিউইয়র্কের ট্রাম্প ভবনে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীনস্থ বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে আয়োজিত ডিজিটাল বাংলাদেশ আইটি ইনভেস্টমেন্ট সামিট- এ বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। এছাড়া সংসদ সদস্য অপরাজিতা হক এবং নাহিদ খান, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক জুয়েনা আজিজ এবং বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট অথরিটি’র চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শহিদুল ইসলাম, নিউইয়র্কে কনসাল জেনারেল মনিরুল ইসলাম অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ হাইটেক পার্ক কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. বিকর্ণ কুমার ঘোষ। প্রতিমন্ত্রী বলেন, ২০৩১ সালের মধ্যে বিশ্বের ডিজিটাল ডিভাইস রপ্তানিতে বাংলাদেশ শীর্ষ দেশে পরিণত হবে। সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশ ভিশন ২০২১ অর্জন করেছে। আইসিটি সেক্টরে গত ১৩ বছরে ২০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান নিশ্চিত হয়েছে। দেশে ৯০ শতাংশ নাগরিক ই-সার্ভিসের আওতায় এসেছে। নানা উদ্যোগের ফলে ২০১০ সাল থেকে দেশের আইসিটিখাতে প্রবৃদ্ধির হার গড়ে ১০ শতাংশ করে বাড়ছে। আড়াই হাজারের বেশি স্টার্টআপ গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে ৭০ শতাংশই ডিজিটালসেবা ভিত্তিক ব্যবসা করছে। স্টার্টআপে বিনিয়োগ প্রায় সাড়ে ৭০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আইটি বা আইটিইএস খাতে ২০ লাখের বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। ডিজিটাল কর্মীর ক্ষেত্রে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে দ্বিতীয়। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের দিকনির্দেশনায় ২০২৫ সালের মধ্যে আইটি সেক্টরে ৩০ লক্ষ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি, শতভাগ ই-সার্ভিস প্রদান, ২০৩১ সালের মধ্যে ২৬তম বৃহত্তম অর্থনীতির দেশ ও ২০৪১ সালের মধ্যে জ্ঞানভিত্তিক, অগ্রসরমান অর্থনীতি, উদ্ভাবনী ও স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণ করা এবং মাথাপিছু ১২ হাজার মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষমাত্রা নিয়ে এখন কাজ করছে বর্তমান সরকার।