অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিরামপুরে পদ হারালেন ইউপি চেয়ারম্যান

প্রকাশিত : নভেম্বর ১, ২০২২ , ৪:৪৭ অপরাহ্ণ

জাহিনুর ইসলাম, বিরামপুর প্রতিনিধি, দিনাজপুর, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: সরকারি চাল আত্মসাৎ, অ-নৈতিকভাবে টাকা আদায়সহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার দিওড় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যানের পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। একই সঙ্গে স্থানীয় সরকার আইন মোতাবেক চেয়ারম্যানের পদটি শূন্যের গেজেট প্রকাশ করতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সোমবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেসমীন প্রধান স্বাক্ষরিত এক চিঠির মাধ্যমে দিওড় ইউপির চেয়ারম্যানের পদ শূন্য ঘোষণা করা হয়। এর আগে ওই ইউনিয়ন পরিষদের ৯ জন ইউপি সদস্য চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের ব্যবস্থা নিতে স্থানীয় সরকার বরাবর অনাস্থা প্রস্তাব করেন। এ ছাড়া একই সময় চেয়ারম্যানের অপসারণ চেয়ে সাবেক দুই ইউপি চেয়ারম্যানসহ ওই ইউনিয়নের এক হাজারের বেশি জনগণ উপজেলা পরিষদের সামনে মানববন্ধন করে স্মারকলিপি প্রদান করেন। পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেসমীন প্রধান স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়, দিওড় ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল মালেক মিয়ার বিরুদ্ধে ইউনিয়ন পরিষদের সভার কার্যবিবরণী লেখা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও মাতৃত্ব-কালীন ভাতা দেওয়ার সুপারিশের ক্ষেত্রে উপকার-ভোগীদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া, পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর উপহার, ভিজিডি ও ভিজিএফের ৫৭ বস্তা চাল বিতরণ না করে আত্মসাতের উদ্দেশ্যে রেখে দেওয়াসহ বেশ কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁরা ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছে। চিঠিতে আরো উলে­খ করা হয়, ওই ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো প্রমাণিত হওয়ায় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল মালেক মিয়ার পদটি শূন্য ঘোষণা করা হলো। বিষয়টি নিয়ে মুঠোফোনে জানতে চাইলে দিওড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক মণ্ডল বলেন, আমি ঢাকায় আছি। পদ শূন্যের বিষয়ে হাইকোর্টে রিট করছি। আমাকে ফাঁসানো হয়েছে। বিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পরিমল কুমার সরকার বলেন, বিধি-মোতাবেক দিওড় ইউনিয়নের চেয়ারম্যানের পদটি শূন্য ঘোষণা করেছে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়।