নৌপথ নিরাপদে আরও ডিজিপিএস স্টেশন স্থাপন করা হবে

প্রকাশিত : ডিসেম্বর ২৮, ২০২২ , ৯:৪৩ অপরাহ্ণ

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী, সংগৃহীত চিত্র।

মনিরামপুর, যশোর, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, অভ্যন্তরীণ ও উপকূলীয় নৌপথসমূহ নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন রাখার লক্ষ্যে হাইড্রোগ্রাফিক চার্ট প্রণয়ন, নৌসহায়ক যন্ত্রপাতি স্থাপন ও ড্রেজিং কাজ সম্পন্ন করার জন্য আরো ডিফারেন্সিয়াল গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম (ডিজিপিএস) স্টেশন স্থাপন করা হবে। বর্তমানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এর স্যাটেলাইটভিত্তিক অত্যাধুনিক প্রযুক্তির তিনটি ডিজিপিএস স্টেশন রয়েছে। বুধবার যশোরের মনিরামপুরে ডিজিপিএস বিকন স্টেশন পরিদর্শনে এসে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বিআইডব্লিউটিএ’র চেয়ারম্যান গোলাম সাদেক, মনিরামপুর পৌরসভার মেয়র কাজী মাহমুদুল হাসান, বিআইডব্লিউটিএ’র হাইড্রোগ্রাফিক বিভাগের পরিচালক সামসুন নাহার বেগম উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, দশ হাজার কিলোমিটার নৌপথ খননের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম। করোনায় কিছুটা সমস্যা হলেও সাড়ে তিন হাজার কিলোমিটার নৌপথ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছি। বিআইডব্লিউটিএর ৪১টি নদীবন্দর আপগ্রেড করা হচ্ছে। শুধু বিআইডব্লিউটিএ’র আপগ্রেড নয়; প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সময়ে সমগ্র বাংলাদেশ আপগ্রেড হয়ে গেছে। আজ মেট্রোরেল উদ্বোধনের মাধ্যমে বাংলাদেশ আরেক উচ্চতায় চলে গেল। নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু হয়েছে। ২০১৪ সালে দরিদ্রতাকে জয় করেছি। ২০২৬ সালে মধ্যম আয়ের এবং ২০৪১ উন্নত দেশে পরিণত হবো। খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, নদীর প্রবাহ ও নৌপথ সচল রাখতে চাই। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় আমরা কাজ করছি। কেউ যাতে নদীর ক্ষতি, দখল ও দূষণ করতে না পারে সেজন্য পদক্ষেপ নিয়েছি। নদী রক্ষায় প্রধানমন্ত্রী জাগরণ তৈরি করেছেন। নদী-নালা, খাল-বিল রক্ষায় সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ। উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ নির্মাণের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ করছে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিআইডব্লিউটিএ। বর্তমান সরকারের উদ্যোগের ফলে বাংলাদেশে শুষ্ক মৌসুমে ৪ হাজার ৮০০ কিলোমিটার এবং বর্ষা মৌসুমে ৫ হাজার ৬০০ কিলোমিটার শ্রেণিবিন্যাসকৃত নৌপথ দাঁড়িয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশ-ভারত নৌ-প্রোটোকল চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ায় প্রোটোকল রুটসমূহে হাইড্রোগ্রাফিক জরিপ ও ড্রেজিং কার্যক্রম বৃদ্ধি পেয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সমগ্র বাংলাদেশের সম্পূর্ণ নৌপথের নিরাপদ যাত্রা এবং নৌপথের সঠিক রক্ষণাবেক্ষণ নিশ্চিত করতে আরো কয়েকটি বিকন স্টেশন স্থাপন করা হবে।