জিয়াউর রহমান স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে নিয়ে এদেশকে অন্ধকারে নিয়ে গিয়েছিল

প্রকাশিত : জানুয়ারি ১৪, ২০২৩ , ১১:০৬ অপরাহ্ণ

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহ্‌মুদ চৌধুরী বলেছেন, আমরা শুনতে পাচ্ছি- ‘গয়েশ্বর রায় আর মির্জা ফখরুলরা বলছে-আমাদের স্বাধীনতা নাকি বাইচান্স চলে এসেছে’। এর জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাইচান্স নেতা হচ্ছে খুনি জিয়াউর রহমান। যিনি বঙ্গবন্ধুকে হত‍্যা করে, রাষ্ট্রক্ষমতা দখল করে, বঙ্গবন্ধুর খুনি ও স্বাধীনতা বিরোধীদের সাথে নিয়ে এদেশকে অন্ধকারে নিয়ে গিয়েছিল। মানুষের অধিকারকে হরণ করেছিল। বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানানোর চেষ্টা করেছিল। শেখ হাসিনার নেতৃত্বের কারণে আজকে তারা ব‍্যর্থ হয়ে ইতিহাস বিকৃত করছে। স্বাধীনতা, মুক্তিযুদ্ধ এবং বাংলাদেশের এগিয়ে যাওয়ার ইতিহাস বিকৃত করছে। প্রতিমন্ত্রী শনিবার ঢাকায় মিরপুরে বাংলা স্কুল ও কলেজে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগ আয়োজিত হতদরিদ্র শীতার্ত মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সারা দেশে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শীতার্ত মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে; যেমনটি তারা করোনা মহামারির সময়ে মানুষের পাশে ছিল। অসহায় মানুষের পাশে আওয়ামী লীগ ছাড়া অন‍্য কোনো রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীদের দেখা যায়নি। আওয়ামী লীগ জন্মলগ্ন থেকেই সাধারণ মানুষের পাশে ছিল, আছে এবং থাকবে। দেশের মানুষও আওয়ামী লীগের সাথে আছে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের সাথে আছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বের কাছে উন্নয়নের রোল মডেল। প্রধানমন্ত্রী দেশের জনগণকে পদ্মা সেতু ও মেট্রোরেল উপহার দিয়েছেন। উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারা অব‍্যাহত রাখতে আওয়ামী লীগের বিকল্প নেই। অনুষ্ঠানে দুই হাজার পিছ কম্বল ও সোয়েটার বিতরণ করা হয়। এসময় অন্যান্যের মধ‍্যে ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ মান্নান কচি এবং ৫ নম্বর ওয়ার্ড কমিশনার আব্দুর রউফ নান্নু বক্তব‍্য রাখেন।
সাকরাইন (ঘুড়ি উৎসব) উদ্বোধন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
শনিবার পুরান ঢাকার মালিটোলায় সাকরাইন (ঘুড়ি উৎসব) ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। মালিটোলা সেবা সমাজকল‍্যাণ সংঘ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এসময় অন্যান্যের মধ‍্যে ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, সাকরাইন উৎসব পুরান ঢাকার একটি ঐতিহ‍্যবাহী প্রাচীন উৎসব। এ ধরনের উৎসব ঢাকাবাসীকে আরো বেশি ঐতিহ্যের বন্ধনে আবদ্ধ করে রাখবে।