বাংলাদেশের জন্য Concessional IDA তহবিলের সহায়তা চাইলেন অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত : নভেম্বর ১৩, ২০২২ , ৭:১৭ অপরাহ্ণ

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল, সংগৃহীত চিত্র।

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া অঞ্চলের ভাইস-প্রেসিডেন্ট মার্টিন রেইজার এবং নবনিযুক্ত বাংলাদেশ ও ভুটানের কান্ট্রি ডিরেক্টর আবদুলায়ে সেক তিন দিনের সফরে ঢাকায় এসে রবিবার সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের সাথে সাক্ষাৎ করেন। অর্থমন্ত্রীর সাথে দ্বিপক্ষীয় সভায় বিশ্বব্যাংকের ভাইস-প্রেসিডেন্ট বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রশংসা করেন। তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে করোনা মোকাবিলায় বাংলাদেশের বিভিন্ন সময়োচিত পদক্ষেপেরও প্রশংসা করেন। অর্থমন্ত্রী বিশ্বব্যাংককে বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে অভিহিত করে বলেন, আমাদের উন্নয়ন কার্যক্রমে বিশ্ব ব্যাংক হতে ১৯৭২ সাল থেকে আমরা এযাবৎ ৩৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ ও অনুদান সহায়তা পেয়েছি যার মধ্যে ২৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার অর্থছাড় করা হয়েছে। আমরা এ পর্যন্ত সুদ ও আসল মিলে ৬ দশমিক ৩৬ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করেছি। বিশ্বব্যাংক ২০২৩-২০২৭ অর্থবছরের জন্য কান্ট্রি পার্টনারশিপ ফ্রেমওয়ার্ক (CPF) প্রস্তুত করছে। অর্থমন্ত্রী ভাইস প্রেসিডেন্টকে ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার লক্ষ্যকে অগ্রাধিকার দিয়ে ৮ম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনা, প্রেক্ষিত পরিকল্পনা এবং ডেল্টা প্ল্যান এবং অন্যান্য সরকারি মহাপরিকল্পনা, সেক্টরাল প্ল্যান এবং নীতিগুলোর সাথে CPF কে align করার জন্য অনুরোধ করেন। পরিবেশগত পুনরুদ্ধার এবং ঢাকা শহরের চারপাশের নদীগুলোর নাব্যতা নিশ্চিত এবং ঢাকার সৌন্দর্য বৃদ্ধি করার জন্য আমাদের অনুরোধে Beautification of Dhaka নামে একটি Technical Assistance প্রকল্প নিয়ে কাজ করার জন্য অর্থমন্ত্রী বিশ্ব ব্যাংককে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি তিনি বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ সহায়তায় বাস্তবায়নাধীন বিভিন্ন প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়েও আলোচনা করেন। তিনি উল্লেখ করেন, আমরা ২০১৯ থেকে এপ্রিল ২০২২ সময়ে ১ বিলিয়ন বাজেট সাপোর্ট পেয়েছি। চলতি অর্থ বছরে আরো ৫০০ মিলিয়ন বাজেট সাপোর্ট পাওয়া যাবে বলে আশা করছি। Green, Resilience, Inclusive Development (GRID) ডিপিসির ২৫০ মিলিয়ন করে আগামী ২ অর্থবছরে ৫০০ মিলিয়ন পাওয়া যাবে বলে প্রত্যাশা করছি। ২০২৩-২০২৫ সাল মেয়াদে পাইপলাইনে রয়েছে ৬ দশমিক ১৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের ঋণ প্রস্তাব। IDA দেশগুলোর অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করতে IDA ২০ খুব সহায়ক হবে উল্লেখ করে অর্থমন্ত্রী, জুলাই ২০২২ থেকে জুন ২০২৫ এর জন্য নির্ধারিত ৯৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের IDA 20 cycle কে স্বাগত জানান। তিনি কোভিড এবং ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ উদ্ভূত বিরূপ পরিস্থিতি হতে অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের জন্য বাংলাদেশের জন্য Concessional IDA তহবিল থেকে বর্ধিত সহায়তার অনুরোধ করেন। এ সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন অর্থ বিভাগের সিনিয়র সচিব, ফাতিমা ইয়াসমিন।