ডিজিটাল সংযোগ হচ্ছে অগ্রগতির চাবিকাঠি

প্রকাশিত : নভেম্বর ২৩, ২০২২ , ৮:৫৬ অপরাহ্ণ

ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, সংগৃহীত চিত্র।

ঢাকা, ব্রডকাস্টিং নিউজ কর্পোরেশন: ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেছেন, ডিজিটাল সংযোগ হচ্ছে অগ্রগতির চাবিকাঠি। প্রত্যন্ত গ্রামীণ জনগোষ্ঠীসহ দেশের প্রতিটি গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর দোরগোড়ায় উচ্চগতির ডিজিটাল সংযোগ পৌঁছে দিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে। ইতোমধ্যে আমরা দেশের শতকরা ৯৮ ভাগ অঞ্চল ৪জি মোবাইল নেটওয়ার্কের আওতায় এনেছি। ২০২১ সালে বাংলাদেশ ফাইভ-জি যুগে প্রবেশ করেছে। বাণিজ্যিকভাবে ফাইভ-জি প্রযুক্তি চালু করতে বাংলাদেশ কাজ করছে। মন্ত্রী বুধবার ঢাকায় বাংলাদেশ সচিবালয়ে তাঁর দপ্তর থেকে ডিজিটাল প্লাটফর্মে হুয়াওয়ে আয়োজিত ‘কানেক্ট দ্য আনকানেক্ট : মেকিং রিমোট কানেকশনস, পলিসি, টেকনোলজিক্যাল ইনোভেশন এন্ড মাল্টিপার্টি কো-অপারেশন’ শীর্ষক আন্তর্জাতিক প্যানেল আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন। প্যানেল আলোচনায় বেলজিয়াম, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইন্দোনেশিয়া এবং কম্বোডিয়াসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের টেলিকম মন্ত্রী, ডিজিটাল প্রযুক্তি গবেষক ও ডিজিটাল প্রযুক্তিখাতের অংশীজন অংশগ্রহণ করেন।
টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী এ সময় দেশের ডিজিটাল সংযোগ ও ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশে সরকারের গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগ তুলে ধরে বলেন, ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির হাত ধরে বাংলাদেশে ডিজিটাল সংযোগ ও প্রযুক্তি বিকাশে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সূচিত হয়েছে। ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি ২০২১ সালে সফলতার সাথে বাস্তবায়ন সম্পন্ন হয়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের লক্ষ্য বাস্তবায়নে সরকার কাজ করছে বলে মন্ত্রী উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টি সম্পন্ন নেতৃত্বে ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে মোবাইল ফোন বিকাশের অভিযাত্রা শুরু হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৩ সালে থ্রি-জি, ২০১৮ সালে ফোর-জি এবং ২০২১ সালে ফাইভ-জি যুগে বাংলাদেশ প্রবেশ করেছে। ডিজিটাল প্রযুক্তি বিকাশের এই অগ্রদূত বাংলাদেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব ও হাওর, দুর্গম চর-দ্বীপ এবং পার্বত্য অঞ্চলে উচ্চগতির ডিজিটাল সংযোগ পৌঁছানো খুবই কঠিন কাজ উল্লেখ করে বলেন, আমরা দেশের প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ পৌঁছানোর চ্যালেঞ্জ সফলতার সাথে মোকাবিলা করছি। মন্ত্রী বিদ্যুৎসাশ্রয়ী গ্রিন টেলিকম ডিভাইস প্রতিষ্ঠায় সরকারের গৃহীত উদ্যোগ তুলে ধরে বলেন, পরিবেশ ও প্রতিবেশবান্ধব নিরবচ্ছিন্ন টেলিকম সেবা প্রতিষ্ঠাই আমাদের লক্ষ্য। অনুষ্ঠানে টেলিকম বিশেষজ্ঞগণ বৈশ্বিক উষ্ণতা হ্রাসসহ জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় স্মার্ট ফ্যাক্টরি গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, ডিজিটাল প্রযুক্তিকে পরিবেশ ও প্রতিবেশ রক্ষায় কাজে লাগাতে হবে। ডিজিটাল প্রযুক্তি কার্বন নিঃসরণ হ্রাসে ফলপ্রসূ অবদান রাখবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।